ফেসবুকে ব্রাজিলের এক তরুণীকে দেখে ভালো লে’গেছিল নোয়াখালীর জসিমের। ব'ন্ধুত্বের অনুরো’ধ পা’ঠানো র পর, ফেসবুকেই তাদের আলাপ’চারিতা শুরু হয়। আদান-প্রদান হয় ফোন নম্বরও। ব্রাজিলের তরুণীটির নাম লিকাবো। নোয়াখাইল্লা সংস্কৃতির উপর প্রবল উৎসাহ ছিল লিকাবোর। সেই নিয়েই বেশিরভাগ সময় তিনি কথা বলতেন জসিমের স’ঙ্গে ।

নোয়াখালীর ছেলে জসিমও তার ব্রাজিলিয়ান বান্ধবীকে বলতেন নিজে'র দেশের সংস্কৃতির কথা। গল্প করে শোনাতেন গ্রামের কথা শহরের কথা। কিন্তু বাংলা বুঝতেন না লিকাবো, ভা’ঙা ভা’ঙা ইংরেজীতেই তার সাথে যতটা জ্ঞাপন করা সম্ভব হয় ক’রতেন অসীম।

জসিম ডিগ্রির ছাত্র। ইংরেজীতে বেশ আধিপত্য থাকার দরুণ লিকাবোর সোশ্যাল মিডিয়ায় কথা বলতে খুব একটা অসুবিধা হতো না তার। কয়েকদিন কথা’বা র্তার পর তাদের ব'ন্ধুত্বও বেশ জমে উঠে।
সেইস’ঙ্গে লিকাবো আরও বেশি করে ভালো লাগতে শুরু করে জসিমের। তবে কিছুতেই নিজে'র ভালোলা’গার কথা মুখ ফুটে বলতে পারছিলেন না অসীম।

অন্যদিকে লিকাবো একদিন জসিমকে জা’নায় যে সে একটি ছেলের প্রেমে পরেছে। লিকাবোর মুখে অন্য ছেলের কথা শুনে প্রচন্ড রেগে যায় জসিম। রাগের মাথায় দু-চারটে বাংলায় গালা’গালি লিখে পাঠায় দেয় অসীম। সেই স’ঙ্গে লিকাবো’কে তিনি এটাও জা’নায় যে সে তাকে ভালোবাসে।

লিকাবোর বাংলা গালা’গালি প্রচন্ড পছন্দের। জসিমেরর প্রপোজ করার স্ট্যাইলও তার তাই খুব পছন্দ হয়। তিনি জসিমকে সরাসরি জা’নায় তার প্রস্তাবে তিনি রাজি। সেইস’ঙ্গে এটাও জা’নায় এবছর ঈদেই তিনি নোয়াখালী আ’সছেনসাথে দেখা করার জন্য।