করো'না কালের এই মুহুর্তে মাস্ক একটি অপরিহার্য ব্যবহারযোগ্য জিনিষ হয়ে দাড়িয়েছে। তবে এই মাস্ক ব্যবহার ক’রতে গিয়েও অনেক সময় বিরম্বনায় পড়তে হয়। সঠিক পদ্ধতি জা’না থাকলে আপনিও এই স’মস্যাগুলোর সমাধান ক’রতে পারবেন। যেমন ধ’রুন যারা আম’রা চশমা ব্যবহার করি তারা খুব বিরম্বনায় পড়ি যখন মাস্ক পড়তে হয়।

মাস্কের স’ঙ্গে চশমা পরলেই চশমা’র কাঁচ ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। বাড়বাড় চশমা মুছেও তেমন কোনো লাভ হচ্ছে না। এদিকে কাঁচ ঘোলা হওয়ার কারণে চোখে দে’খতে হচ্ছে ঝাপসা। এই বিড়ম্বনা থেকে মু’ক্তির উপায় চলুন জে’নে নেয়া যাক:

টিস্যু ব্যবহার: মাস্কের উপরের অংশের পেছনে টিস্যু ভাঁজ করে টেপ দিয়ে আ'টকে দিন। এবার মাস্ক পরুন। এরপর চশমা পরুন। মাস্কের ভেতরের টিস্যুর অংশ বাষ্প শুষে নেবে। চশমা’র কাঁচ আর ঘোলা হবে না।

মাস্ক গুঁজে নিন: এই পদ্ধতিতে মাস্ক চশমা’র কাঁচের উপরে থাকবে না, মাস্ক থাকবে চশমা’র কাঁচের নিচে। প্রথমে মাস্ক পরে নিন। এরপর চশমা পরে এর সাহায্যে মাস্ক চে’পে আ'টকে রাখু’ন। এতে করে চশমা’র কাঁচ আর ঘোলা হবে না।

সাবান-পানির ব্যবহার: মাস্ক ও চশমা একস’ঙ্গে পরার আগে চশমা’র কাঁচ সাবান-পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ধোয়া হলে পরি’ষ্কার নরম কাপড় বা টিস্যু দিয়ে ভালোভাবে মুছে নিন। এতে করে কাঁচের উপর বাষ্প ঠেকানোর একটি আস্তরণ প’ড়ে। তাই কাঁচ ঘোলা হওয়ার ভ’য় থাকে না।

অ্যান্টি-ফগ ক্লিনার: প্রয়োজনে অ্যান্টি-ফগ ক্লিনার ব্যবহার ক’রতে পারেন। চশমা’র দোকানে এই ক্লিনার পাওয়া যায়। এটির ব্যবহারে চশমা ১-৩ দিন পর্যন্ত ঘোলাটে হবে না।