কিছুদিন আগেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দিয়ে বয়ে গেছে শ’ক্তিশালী সুপার সাইক্লোন আম্পান। এবার আম্পানের ক্ষ’ত না শুকাতেই আ’সছে আরেক ঘূ’র্ণিঝ’ড়। যদিও ঝ’ড়টির উৎপত্তি হবে আরব সাগরে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় দুই রাজ্য গুজরাট ও মহারাষ্ট্রকে এ বিষয়ে সত’র্কবার্তা দিয়েছে। রোববার (৩১ মে) ভারতের কে’ন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর জা’নিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই রাজ্যের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূ’র্ণিঝড়টি। এটি এখন আরব সাগরে শ’ক্তিশালী হচ্ছে।

তবে সত’র্কবার্তা পেয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় আম্পানের তা’ণ্ডবের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে ওই দুই রাজ্য আগাম প্র’স্তুতি নিতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে রাজ্য দুটির মৎস্যজীবীদের ৫ জুন পর্যন্ত গ’ভীর সমুদ্রে মাছ ধ’রতে যেতে নি’ষেধ করেছে ক’র্তৃপক্ষ। দপ্তরের সাইক্লোন বিভাগের প্রধান সুনীতা দেবী জা’নিয়েছেন, আরব সাগর এলাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এবং সংল’গ্ন পূর্ব-মধ্য অঞ্চলে একটি ঝ’ড়ের সূত্রপাত হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা নি’ম্নচা’পে প’রিণত হবে। এরপর আরও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা ‘সাইক্লোনিক স্টর্ম’ বা ঘূ’র্ণিঝড়ে প’রিণত হতে পারে।

সুনীতা দেবী বলেন, ‘নি’ম্নচা’পে প’রিণত হওয়ার পর উত্তরের দিকে এগিয়ে যেতে পারে ঘূ’র্ণিঝ’ড়টি। আগামী ৩ জুন তা আছড়ে পড়তে পারে মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের উপকূলে।’ ঘূ’র্ণিঝড়ের প্র’ভাবে দুই রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলেও জা’নিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। দেশটির কে’ন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় ২ থেকে ৪ জুন, উত্তর উপকূলে ২ থেকে ৩ জুন এবং গুজরাট, দমন-দিউ, দাদরা ও নগর হাভেলিতে ৩ থেকে ৫ জুন ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হবে। এর ফলে সমুদ্র উত্তাল হতে পারে।