প্রা’ণঘাতী করো'না ভা'ইরাসের (কো'ভিড-১৯) সংক্র’মণ এড়াতে চলছে লকডাউন। এতে ঘরবন্দি হয়ে প’ড়েছে মানুষ। চার দেয়ালের মধ্যে থাকতে থাকতে হ’তাশ হওয়ার অবস্থা। তবে হা-হুতাশ না করে বরং সময়টা কীভাবে পরিবারের সবার স’ঙ্গে উপভো’গ ক’রতে পারবেন; সেটা নিয়ে ভাবুন। সময়টা উপভো’গ করা জন্য কিছু টিপস দেয়া হলো।

পুরনো দিনের গল্প করুন
বাড়ির সবার স’ঙ্গে বসে গল্প করার এমন সুযোগ আর একটাও পাবেন না! তাই বিকেলের দিকটায় এক কাপ চা হাতে বাড়ির সবার স’ঙ্গে জমিয়ে গল্প করুন। পুরনো অ্যালবাম বের করে আনুন, বাবা-মা বা শ্বশুর-শাশুড়ির কাছে পুরনো দিনের গল্প শুনুন। পরিবারের সবার স’ঙ্গে স’স্পর্কের বাঁধন জো’রদার হবে।

জমিয়ে তুলুন খেলা
গল্প তো আছেই, তার স’ঙ্গে একটু আধটু খেলাধুলা করলেই তো ক্ষ’তি নেই। লুডো, ক্যারম, দাবার আসর নিয়ে বসে পড়ুন। অনেকে মিলে খেলতে হলে তাসও চলবে। সবাই মিলে পছন্দের গানও শুনতে পারেন। নাচগান করলেও সুন্দর কে’টে যাবে সময়।

বাচ্চাদের দায়িত্ব দিন
বাড়ির সব কাজ একা ক’রতে যাবেন না বাচ্চাদেরও দায়িত্ব দিন। ধোঁয়া বাসন মুছে রাখা, বইয়ের টেবিল গুছিয়ে রাখা, আসবাব থেকে ধুলো ঝাড়ার মতো কাজগুলো বাচ্চারাও অনায়াসে ক’রতে পারবে। নতুন কাজ পেয়ে বাচ্চাদের উৎসাহও বাড়বে, আপনারও সাহায্য হবে। তা ছাড়া বাচ্চারাও দায়িত্ব নিতে শিখবে।

দূ'রত্বকে ডোন্ট কেয়ার
পরিবারের কোনও সদস্য বাইরে রয়েছেন? সহায় নিন ভিডিও কলের। দিনের যে কোনও সুবিধাজনক সময়ে তাকে কল করুন। তারপর গল্প করুন প্রা’ণ ভরে। আর আপনি নিজেই যদি বাইরে থাকেন? তাতেও অসুবিধে নেই। বাবা-মা সহ বাড়ির সব বয়স্ক মানুষদের দিনে অ'ন্তত ২-৩ বার ফোন করে কথা বলুন, তাতে ওঁরা আপনার জন্য দু’শ্চিন্তায় বা নিজেদের নি’রাপত্তাহীনতায় ভুগবেন না।

শখের কাজগুলো করুন
ছবি আঁকতে ভালো লাগে। অথচ সময়ের অভাবে কিছুতেই রং পেনসিল নিয়ে বসা হয় না? বাড়িতে থাকার ফাঁকা সময়টুকু ইচ্ছেমত ছবি আঁকুন। হারমোনিয়ামের ধুলো ঝেড়ে নিয়ে বসুন। মন ভালো থাকবে।

পুরনো ব'ন্ধুদের ফোন করুন
সোশাল ডিসট্যান্সিং মানে কিন্তু মনের দূ'রত্ব নয়! ফোনে ব'ন্ধুদের স’ঙ্গে যোগাযোগ রাখু’ন, ভিডিও কল করে আড্ডা জমান। দূ'রত্ব মুছে যাবে এক নিমেষে!

প’ড়ে থাকা কাজগুলো সেরে ফেলুন
বহুদিন ধ’রে একটা বই পড়বেন ভেবে রেখেছেন অথচ পড়াই হয়নি? সিনেমা দেখবেন বলে ফে’লে রেখেছেন? এই লকডাউনের সময়টায় সেসব প’ড়ে থাকা কাজ মিটিয়ে ফেলুন। তবে চোখকে বিশ্রামও দিতে হবে। একটানা সিনেমা দেখা বা বই পড়া চলবে না।

নিজে'র যত্ন নিন
নানারকম কাজে'র মধ্যে পুরো সময়টা কা’টিয়ে দিলে হবে না। ওর মধ্যেই নিজে'র যত্নের জন্যও খানিকটা সময় রাখতে হবে। ত্বকের যত্ন নিন, নিয়মিত শ্যাম্পু-কন্ডিশনিং করে চুল ঝলমলে রাখু’ন। যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করলেও ভালো থাকবেন।