ক'রোনাভা'ইরাসের জন্য গত প্রায় ৪৫ দিন ধ'রে ব'ন্ধ রয়েছে সরকারি অফিস আদালতসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রশা'সনিক ও অন্য কাজে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চাকার ধীরগতির স'ঙ্গে প্রশা'সনিক কাজেও একটি দীর্ঘ জট তৈরি হতে পারে। এ অব'স্থায় নি'রাপ'ত্তা নি'শ্চিত করে দেশের অর্থনীতি ও প্রশা'সনিক কারণে অফিস-আদালত খু'লে দিতে হবে।

এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আম'রা কিছু কিছু সেক্টর আস্তে আস্তে উন্মু'ক্ত করার চেষ্টা করছি। কিছু জীবন-জীবিকার ব্যব'স্থা যাতে মানুষ ক'রতে পারে সেই ব্যব'স্থা করছি। কারণ এটা রোজার মাস।

জ'নপ্রশা'সন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন জা'নিয়েছেন, সাধারণ ছুটির মধ্যে সরকার সব দিক বিবেচনা করেই এগোচ্ছে। তবে এখন পর্যাপ্ত সুর'ক্ষা নি'শ্চিত করে মাঠে কাজ করার প্র'স্তুতি নিতে হবে সবাইকেই। কলকারখানায় উৎপাদনেও যেতে হবে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশে ক'রোনা ম'হামা'রি শুরুর পর বাংলাদেশে গত ৮ মা'র্চ প্রথম ক'রোনা রো'গী শনা'ক্ত হয়। এরপর ধীরে ধীরে রো'গী বাড়তে থাকায় ১৭ মা'র্চ হতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব'ন্ধ ঘো'ষণা করা হয়েছে। আর সরকারি-বেসরকারি সব অফিস-আদালত ব'ন্ধ ঘো'ষণা করা হয় ২৬ মা'র্চ। স'ঙ্গে স'ঙ্গে গণপরিবহনও ব'ন্ধ হয়ে যায়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও ব'ন্ধ থাকে।

লকডাউন প'রিস্থিতিতে যেকোনো দেশের জন্য সুখকর নয় তা বিবেচনা করে উন্নত দেশগুলোর অনেকগুলোতেই লকডাউন বিরো'ধী আন্দোলন চলছে। ধীরে ধীরে সেসব দেশ লকডাউন তুলে দিয়ে প'রিস্থিতি স্বা'ভাবিক করার প্রয়াস নিচ্ছে।

সাধারণ ছুটি থাকায় সরকারি-বেসরকারি সব নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে প'ড়েছে। অনেকের চাকরির বয়সও শেষ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কোনো পরীক্ষা বা নিয়োগের জন্য আবেদন ক'রতে পারছেন না।

সাধারণ ছুটি আগামী ১৬ মে শেষে আবারও ছুটি বাড়ানো হবে কিনা- সে ব্যাপারে এ সপ্তাহেই সি'দ্ধান্ত নেবে সরকার। তবে ছুটি না বাড়িয়ে পর্যাপ্ত সুর'ক্ষা নি'শ্চিত করে কাজে নেমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লি'ষ্টরা।

এ প্রস'ঙ্গে জ'নপ্রশা'সন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, এ প'রিস্থিতির মধ্য দিয়ে আরো কিছু দিন হয়তো যেতে হবে। তবে মানুষ বাসা থেকে বের হয়ে কাজ ক'রতে চায়, ভালো খাবার খেতে চায়। আমাদের সবদিক বিবেচনা করে এগোতে হবে। আম'রা সেভাবেই কাজ করিছ।

সূত্র- বাংলাদেশ জার্নাল