চীনের পরে ক'রোনায় দ্বিতীয় মৃ ত্যুপুরী হিসেবে পরিচিত ছিল ইউরোপের দেশ ইতালি। কিন্তু পরে যুক্তরাষ্ট্র ও স্পেনে মৃ'তের সংখ্যা অস্বা'ভাবিক হারে বৃ'দ্ধি পাওয়ায় ইতালি কিছুটা পেছনে পরে যায়। কিন্তু আক্রা'ন্ত ও মৃ'তের সংখ্যা নিয়মিত বেড়েই গেছে দেশটিতে। তবে টানা কয়েকদিন ধ'রে মৃ'ত্যুর সংখ্যা এবং আক্রা'ন্ত সংখ্যা কমতে থাকায় কিছুটা আশার আলো দেখছে ইতালির ছয় কোটি মানুষ। এদিকে প্রা'ণঘাতী ক'রোনাভা'ইরাসে বিপর্যস্ত ইতালিতে আক্রা'ন্ত রো'গীদের সেবা দিতে গিয়ে অনেক চিকি'ৎসকেরও মৃ'ত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) পরিবার প'রিকল্পনা বিশেষজ্ঞ জিয়ানবাটিস্তা পেরেগা নামে এক চিকি'ৎসকের মৃ'ত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে ক'রোনায় আক্রা'ন্ত হয়ে ১৫০ জন চিকি'ৎসকের মৃ'ত্যু হলো। এ সময় ৩৫ জন নার্সও মানবসেবায় জীবন দিয়েছেন। শনিবার মা'রা গেছে ৪১৫ জন, যা গত ১৭ মা'র্চের পরে সর্বনিম্ন। জনগণকে সুর'ক্ষা দিতে ইতালি সরকার ক'রোনা মো'কাবিলায় সর্বো'চ্চ চেষ্টা অব্যা'হত রেখেছে।

এ নিয়ে ইতালিতে মোট মৃ'ত্যুবরণ করেছে ২৬ হাজার ৩৮৪ জন। গত কয়েকদিনে রেকর্ড পরিমান লোক সু'স্থ হয়ে বাড়ি ফি'রেছে। শনিবার সু'স্থ হয়ে বাড়ি ফি'রেছে দুই হাজার ৬২২জন। শনিবার নতুন আক্রা'ন্ত দুই হাজার ৩৫৭ জন। দেশটিতে গু'রুতর অসু'স্থ রো'গীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। গু'রুতর অসু'স্থ রো'গীর সংখ্যা দুই হাজার ১০২ জন, যা আগেরদিনের চেয়ে ৭১ জন কম। মোট চি'কিৎসাধীন রো'গীর সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ৮৪৭ জন এবং দেশটিতে মোট আক্রা'ন্ত রো'গীর সংখ্যা ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫১ জন।

ইতালির ২১ অঞ্চলের মধ্যে লোম্বারদিয়ায় ক'রোনার স'বচেয়ে বেশি আক্রা'ন্ত (মিলান, বেরগামো, ব্রেসিয়া, ক্রেমনাসহ) ১১টি প্রদেশ। শনিবার এ অঞ্চলে মা'রা গেছে ১৬৩ জন । শুধু এ অঞ্চলেই মৃ'ত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৩ হাজার ২৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ অঞ্চলে মোট আক্রা'ন্তের সংখ্যা ৭১ হাজার ৯৭৮ জন। শনিবার মোট আক্রা'ন্তের সংখ্যা ৭১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সু'স্থ হয়ে বাড়ি ফি'রেছে ৪৪৫ জন। এ নিয়ে মোট সু'স্থ হয়ে বাড়ি ফি'রেছে ২৪ হাজার ২৭ জন। এদিকে শনিবার ছিল ইতালির স্বাধীনতা দিবস। চারদিকে জনশূন্য, পালিত হয়নি রাষ্ট্রীয় কোনো অনুষ্ঠান।