চুলের যাবতীয় স’মস্যাগুলোর মধ্যে একটি হলো সাদা হয়ে যাওয়া। অনেকেই চুল পাকা স’মস্যায় ভুগে থাকেন। অকালে চুলে পাক ধ’রায় বিভিন্ন কেমিকেল ব্যবহার করে নিজে'রই ক্ষ’তি ডেকে আনছেন আবার অনেকেই। তবে চুল পাকার কারণ জা’নেন কী?

অতীতের অনেক গবেষণায় বলা হয়েছে, অকালে চুল পাকার অন্যতম কারণ হতে পারে অবসাদ বা দু’শ্চিন্তার ফল। যদিও এর কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এতদিন মেলেনি। তবে স’ম্প্রতি, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একই সিদ্ধা’ন্তে উপনীত হয়েছেন। তাদের মতে, দু’শ্চিন্তা বা ক্লান্তির কারণেই অকালে চুল পেকে যায়।

এই গবেষণার প্রধান বায়োলজিস্ট ইয়া চেই সু বলেন, অতিরি’ক্ত মা’নসিক চা’পে থাকা ও দু’শ্চিন্তার ফলেই চুলের রং ধূসর হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। গবেষকরা এই পরীক্ষা করেন ইঁদুরের উপর। এদেরকে বিভিন্ন উপায়ে চা’পের সম্মুখীণ রাখা হয়। যাতে তাদের স্ট্রেস হরমোনে চা’প প’ড়ে। পরবর্তীতে বিজ্ঞানীরা লক্ষণ করে দেখেন ইঁদুরের গায়ের রং সাদা হয়ে গেছে।

বিজ্ঞানীরা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিয়েও গবেষণা করেন। কর্টিসলের উৎপাদন ব'ন্ধ ক’রতে ইঁদুরের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিগুলো সরিয়ে এই পরীক্ষা করা হয়। এরপরও লক্ষ্য করা যায়, চুল ধূসর হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ, স্ট্রেস হরমোনে প্র’ভাব পড়ার কারণেই চুল দ্রুত পেকে যায়।

অতিরি’ক্ত দু’শ্চিন্তার ফলে স্ট্রেস মেলানোসাইট স্টেম সেলের সংখ্যা কমে যায়। এর ফলে চুলের ফলিক এসিড কমে যায়। এই কোষগুলোই চুলের রং নির্ধারণ করে থাকে। যখন এই কোষগুলোর সরবরাহ কমে যায়, বার্ধক্য না আ'সলেও চুল ধূসর বা সাদা হযয়ে যায়।

সূত্র: টাইমসঅবইন্ডিয়া