সারাদেশে বাড়ছে তাপমাত্রা। আর এমন চিত্র থাকবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে ১৯ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এরপর শুরু হবে মৃদু থেকে মাঝারি ধ’রণের শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জা’না গেছে, বর্তমানে দেশের কোথাও শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে না। শুক্রবার তেঁতুলিয়া ও শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আর রাজধানীতে তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অধিদফতর জা’নায়, আজ মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃ’দ্ধি পেতে পারে।

রাতের তাপমাত্র বা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধ’রা হয়। আর তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, আগামী ১৯ অথবা ২০ জানুয়ারি হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার দেশের সর্বো’চ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সীতাকুণ্ডে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন রাজধানীতে সর্বো’চ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সারাদেশে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে জা’নিয়ে আবহাওয়া অধিদফতরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, তবে ১৯ তারিখে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হতে পারে। এরপর ২১ জানুয়ারি থেকে আবারো থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হবে।

এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে আরেকটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে।

দুর্যোগ ব্যব’স্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস পেয়ে দুর্যোগ ব্যব’স্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে দেশের ৬৪ জে’লায় ৭ লাখ ২১ হাজার ৮০০ কম্বল পা’ঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে ২৪ লাখ ৬৯ হাজার ১০০ কম্বল দেয়া হয়েছে।

শীত ও শৈত্যপ্রবাহ শুরুর পর শীতার্ত দরি’দ্র জনগোষ্ঠীর জন্য শীতবস্ত্র কিনতে রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামা’রী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জে এক কোটি ৬৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলেও জা’নান প্রতিমন্ত্রী।