দিল্লির স্ব’নামধন্য জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম ‘শরণা’র্থীদের’ বাদ দিতে ভারতে যে নতুন না’গরিকত্ব আ’ইন হয়েছে, তার প্র’তিবাদে দেশটিতে বিভি’ন্ন জা’য়গায় রাতভর বিক্ষো’ভ ক’রেছেন শিক্ষা’র্থী এবং মা’নবাধিকার ক’র্মীরা।

ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা’র্থীদের বিক্ষো’ভের সময় পু’লিশের স’ঙ্গে তাদের সংঘ’র্ষ হয় বলে জা’নিয়েছে বিবিসি। বি’ক্ষোভকারীদের প’ক্ষ থেকে পু’লিশের দিকে পাথর ছু’ড়ে মা’রা হলে তারা টি’য়ার গ্যাস ছু’ড়ে প’রিস্থিতি নি’য়ন্ত্রণে আনার চে’ষ্টা করে। অ’ন্তত তিনটি বাস ও বেশ কিছু মোটর সাইকেল জা’লিয়ে দেয়া হ’য়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ক’র্তৃপক্ষ দা’বি ক’রেছে, পু’লিশ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যা’ম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষা’র্থী ও ক’র্মচারীদের মা’রধ’র করে। পু’লিশের দা’বি, বিক্ষো’ভ থা’মাতে যা করা প্রয়োজন ছিল তারা তাই করে’ছে। দক্ষিণ দিল্লির ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের স্কুলগুলো সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ব’ন্ধ রা’খতে নি’র্দেশ দেয়া হয়ে’ছে। দিল্লির শিক্ষা’র্থীদের স’মর্থনে ভারতের আরো কয়েকটি জায়গায় শিক্ষা’র্থীরা বিক্ষো’ভ করে’ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কেরালাও রয়েছে।

সংশো’ধিত এই আ’ইনটিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ধ’র্মীয় অ’ত্যা’চারের কারণে ভারতে শ’রণার্থী হিসেবে হিন্দু, পারসি, শিখ, জৈ’ন, বৌ’দ্ধ, খ্রিষ্টান ধ’র্মাবলম্বীরা আ’শ্রয় নিতে বা’ধ্য হলে তাদের না’গরিকত্ব দেওয়া হবে। সেখানে প্রতিবেশী দেশ থেকে যাওয়া মুসলিমদের বিষয়ে কোনো উল্লে’খ নেই।

আ’ইনটি পাস হওয়ার পর থেকে উত্তর ও পূর্ব ভারতের অনেক এলাকায় বিক্ষো’ভ করছে মানুষ। গত পাঁচ দিনের অ’স্থিরতায় সেসব জায়গায় মা’রা গেছে ছয় জন। বিক্ষো’ভ, ভা’ঙচুর ও অ’গ্নিসংযোগের জে’র ধ’রে প’শ্চিমবঙ্গ ও আ’সামের গৌ’হাটিসহ ১০টি সংবে’দনশীল এলাকায় কারফিউ চলছে।