রাজধানী মতিঝিলে অবস্থিত মোহামেডান, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ, দিলকুশা স্পোর্টিং ও ভিক্টোরিয়া এই চারটি ক্লাবে অ’ভিযান চালিয়েছে পু’লিশ। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে এ অ’ভিযান শুরু হয়।

মতিঝিল বিভাগের উপপু’লিশ কমি’শনার (ডিসি) আনোয়ার হোসেন অ’ভিযান চলা অব’স্থায় গণমাধ্যমকে জা’নান, এসব ক্লাবে অবৈ’ধ ক্যাসিনো পাওয়া গেছে। জুয়া খেলার সরঞ্জামও মিলেছে। এছাড়া শিশা, বিদেশি সিগারেট পাওয়া গেছে। কয়েকটি ক্লাবে টাকা পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ক্লাবগুলো থেকে ব্যা’পক পরিমাণ জুয়া খেলার সরঞ্জাম উ’দ্ধার করা হয়েছে। তবে কাউকে আ'টক করা যায়নি। অ’ভিযান এখনো চলছে। অ’ভিযান শেষে বি’স্তারিত জা’নানো হবে।

প্রসঙ্গত, স’ম্প্রতি সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অবৈ’ধ ক্যাসিনোর সন্ধানে প্রথমে অ’ভিযান চালায় র‌্যাব। এর মধ্যে ঢাকার ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাব ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো পাওয়া যায়।

ইয়ংমেনস ক্লাবের ক্যাসিনোর ভেতর থেকে তরুণীসহ ১৪২ জনকে আ'টক করা হয়। নগদ ২০ লাখ টাকা উ’দ্ধার করা হয়। এছাড়া বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, মদ, বিয়ার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার করা হয় ক্যাসিনোর সভাপতি যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে।

অপরদিকে যুবলীগের আরেক নেতা নেতা জি কে শামীমের অফিসে অ’ভিযান চালিয়ে অ’স্ত্র ও মা’দক উ’দ্ধার করে র‌্যাব। এছাড়া নগদ এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর (স্থায়ী আমানত) চেক ও ১শ কোটি টাকার চেক উ’দ্ধার করা হয়। আর শামীমকে তার সাত দে’হরক্ষীসহ আ'টক করা হয়।

এরপর ধানমণ্ডির কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অ’ভিযান চালায় র‌্যাব। এখান থেকে জুয়া খেলার কয়েন, ভিন্ন ধ’রনের ইয়াবা, একটি বিদেশি পি’স্তল, তিনটি গু’লি, একটি ম্যাগাজিন উ’দ্ধার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষকলীগের কে’ন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিকুল আলম ফিরোজসহ ৫ জনকে।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ